কাল্পনিক গল্পঃ প্যারালাল ইউনিভার্স - রুমির রাফখাতা

কাল্পনিক গল্পঃ প্যারালাল ইউনিভার্স

প্রায় প্রতিদিনই অফিস ছুটির পর সন্ধায় অফিস থেকে হেটে হেটে বাসায় যাই। অফিস থেকে বাসা প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার। হেটে যেতে ৪৫ মিনিট লাগে। এই সময়টায় মাথায় বিভিন্ন ধরনের চিন্তা খেলা করে- দেশ, বিদেশ, ইহজগৎ, পরজগত, ভুত, ভবিষ্যত ইত্যাদি ইত্যাদি। একই সাথে শরীর আর ব্রেইন দুটোরই এক্সারসাইস হয়ে যায়।

 

সেদিনই এমন হেটে হেটে যাচ্ছি, যখন একটা বাস ষ্টপের কাছে আসলাম দেখলাম সেখানে বেশ কিছু মানুষের জটলা। হঠাৎ একটা বাসের হর্নে আমার চিন্তায় ছেঁদ পরল। আমার কেমন একটা অদ্ভুত ফিল হতে লাগল। মনে হতে লাগল এখানে কিছু একটা হবে। কিন্তু কি হবে আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। মাথার ভিতর ওলোট পালট চিন্তা বয়ে যাচ্ছে ব্যাপারটা নিয়ে, অনুভুতি টা নিয়ে ভাবছি। ঠিক তখনই মনে হল এখানে একটা এক্সিডেন্ট হতে যাচ্ছে। ফুটপাতে মানুষের ভিড় থাকায় আমি রাস্তার অনেকটা ভেতর দিয়ে হাটছিলাম, আমার অবচেতন মন বলল তুমি পাশে যাও। আমি ভিড় ঠেলে ফুটপাতের দিকে যাচ্চি এমন সময় পেছনে টায়ার ব্লাস্ট হওয়ার বিকট আওয়াজ শুনতে পেলাম। পেছনে তাকিয়ে দেখি একটা বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে একটা রিক্সাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে, এতে রিক্সার একটা চাকা দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। রিক্সা চালক লাফ দিয়ে দূরে সরে যাওয়ায় তার তেমন কিছুই হয় নি। শুধু রিক্সাটাই ভেঙ্গেছে আর তেমন কোন ক্ষয় ক্ষতি হয় নি।

 

আমি সামনে হাটতে সেদিন সেই বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতে করছিলাম, আমি আগে থেকেই কিভাবে বুঝলাম এখানে একটা ঘটনা ঘটবে? আমার মনে হচ্ছিল ঠিক এই ঘটনাটা এখানে ঠিক এভাবে আমার সাথে আগেও ঘটেছে। কিন্তু সেটা কিভাবে সম্ভব? হতে পারে ২ মাস বা ৬ মাস বা ৫ বছর আগে এখানে বা আমার চোখের সামনে ঠিক এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কিভাবে এই ঘটনাটা আমি আগে থেকেই টের পেলাম?

 

এ সব চিন্তা করতে করতেই সেদিন বাসায় ফিরেছিলাম। কিন্তু এমন ঘটনা এটাই আমার সাথে প্রথম আর একমাত্র নয়। এর আগেও আমার সাথে এমন ঘটেছে। হয়ত আমি ক্যাম্পাসে গিয়েছি, শান্ত ক্যাম্পাস। কিন্তু আমার মনে হতে লাগল আজ কিছু প্রচন্ড ঝামেলা হবে। আমি বাসায় ফিরে গেছি, দুপুর বেলা শুনি আসলেই হয়েছে। অথবা আমি রাস্তা দিয়ে হাটছি হঠাৎ মনে হল সামনে ঝামেলা আছে, আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। অমনি টুপ করে আমার সামনে একটা ফুলের টব উপর থেকে পোরে ভেঙ্গে গেল। মাথায় পরলে হাসপাতালে যাওয়ার সুযোগ পেতাম না। অথবা ইংল্যান্ড ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সাথে খেলছে প্রথম ব্যাট করে ইংল্যান্ড ২৭০ করেছে। ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ১৭। সবাই ইংল্যান্ডের জয় সেলিব্রাশান শুরু করে দিয়েছে কিন্তু আমার মনে হচ্ছে ইংল্যান্ড হারবে। ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ৪ ওভার বাকি রেখেই জিতে যাবে, হাতে তখনো ৪ টা উইকেট থাকবে। খেলা শেষে দেখলাম ঠিক তাই। এমন ঘটনা আমার সাথে প্রায়ই হয়, কিন্তু কেন হয় কিভাবে হয় আমার কোন ধারনা নেই। কবে থেকে এমনটা হচ্ছে সেটাও ঠিক বলতে পারব না।

 

আজও আফিস ছুটির পর সন্ধায় হেটে বাসায় যাচ্ছি আর বিভিন্ন চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। একটু অন্যমনষ্ক। অর্ধেক পথ পার হয়েছি, এখানে রাস্তা, ফুটপথ কিছুটা ফাঁকা। আমি হাটার গতি কিছুটা বাড়িয়ে দিলাম। হঠাৎ রাস্তার পাশে চোখ পরতেই কেমন যেন লাগছে। কিছু একটা ঝামেলা আছে, কিছু একটা ঠিক মিলছে না। আমি ব্যাপারটা ঠিক ধরতে পারছি না। আমার মাথার ভেতর চিন্তার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আমি পার্থক্যটা ধরার চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না। আরো কয়েক কদম হাটার পর ব্যাপারটা ধরতে পারলাম। রাস্তাটা একটু অন্য রকম লাগছে। আমি ভাবছি আমি কি ভুল করে অন্য কোন রাস্তায় চলে এসেছি? চারদিকটা ভাল ভাবে দেখতে লাগলাম। নাহ রাস্তা তো ঠিকই আছে কিন্তু চারপাশের দৃশ্যগুলোতে পরিবর্তন এসেছে।

 

কিছু নতুন বিল্ডিং পুরাতন লাগছে, শ্যাওলা ধরে গেছে, আবার আগের কিছু একতলা দোতলা বিল্ডিং এর জায়গায় নতুন বহুতল ভবন হয়েছে। কিছু নতুন গলি হয়েছে, রাস্তাটা একেবারে ঝকঝকে পরিষ্কার। আরেকটু সামনে আগাতে দেখলাম যেখানে একটা ঝোপঝাড় ছিল, মানুষ ময়লা ফেলত সেখানে একটা বাচ্চাদের পার্ক হয়েছে। এই সন্ধ্যা বেলাতেও কিছু বাচ্চা বাবা মায়ের সাথে সেখানে খেলছে, কেউ দোলনায় দোল খাচ্ছে। পাশের দোকান গুলির ডেকোরেশান ও অনেক আপডেট হয়েছে। আগে এই রাস্তায় হাটার সময় দুই একটা বি এম ডাব্লিউ আর মার্সিডিজ দেখা যেত রাস্তার পাশে পার্ক করে রাখা। এখন দেখছি রাস্তায় চলা আর পাশে পার্ক করে রাখা অর্ধেকের বেশী গাড়ি দামি ব্র্যান্ডের।

 

আমি সামনের দিকে হাটছি আর পরিবর্তন গুলি দেখছি। ভাবছি কি হচ্ছে কিভাবে হচ্ছে। আমার দৃষ্টি সামনের দিকে নেই বরং দুপাশের বিষয় গুলি দেখছি আর হাটছি। এমন সময় কারো সাথে ধাক্কা লাগল। ঠিক ধাক্কা নয় কেউ আমার সামনে থেকে দু কাধ ধরে থামিয়ে দিল। আমি সামনের দিকে তাকিলে লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছে। ঠিক যেন কত দিনের চেনা আমার বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছে। চেহারাটা খুব চেনা লাগছে কিন্তু ঠিক মনে করতে পারছি না। বয়সে আমার থেকে ৮/১০ বছরের বড় হবে। আমাকে জিজ্ঞেস করছে “হালো রাহাত ভাই কেমন আছন?” গলার স্বর টাও চেনা চেনা লাগছে। কিন্তু চিনতে পারছি না। আমি স্বভাব সুলভ বললাম ভাল আছি। লোকটা দু ঠোট বিস্তৃত একটা হাসি দিয়ে বলল এতক্ষন আপনি ভাল ছিলেন কিন্তু এখন ভাল নেই। তার গলার স্বরে কৌতুক খেলা করছে।

 

তিনি আবার বললেন আমাদের পৃথিবীতে আপনাকে স্বাগতম। আমি কেমন যেন একটা ঘোরের মধ্যে আছি। ওনার এই কথা শোনার পর আমি টের পেলাম আমার কেমন যেন একটু শিত শিত গালছে, আমার কপাল বেয়ে চিকন একটা ঘামের ধারা নেমে আসছে। অজানা একটা ভয় মনের মধ্যে জেকে বসেছে।

 

আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনাদের পৃথিবী মানে? আর আপনি কে? আপনাকে তো আমি ঠিক চিনতে পারছি না। তিনি বললেন সব বলছি, তার আগে চলেন কোথাও বসি। আমি তার সাথে চুপচাপ হাটতে শুরু করলাম। লোকটা মুচকি হাসছে। আমার আবস্থা দেখে খুব যেন মজা পাচ্ছে।

 

আমরা কয়েক পা হেটে একটা রেষ্টুরেন্টে ঢুকলাম। এই রেষ্টুরেন্টটা আমার চেনা, মানে নাম এক, যায়গাটাও এক কিন্তু স্ট্রাকচার বদলে গিয়েছে, এই রেষ্টুরেন্টে আমি আগেও কয়েকবার এসেছি কিন্তু তখন এমন ছিল না। আমরা রুফ টপে গিয়ে বসলাম। ভদ্রলোক কথা শুরু করলেন, আমাদের পৃথিবী কেমন লাগছে? আমি বললাম ভাই আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না।

 

ভদ্রলোক হাসলেন, বললেন চারপাশ দেখেও কি কিছু বুঝতে পারছেন না? আমি বললাম একটু অন্যরকম, অন্যরকম ঠিক না মনে হচ্ছে অনেক দিন পর এই রাস্তায় এসেছি। অনেক কিছু বদলে গেছে। কিন্তু আমি তো প্রতিদিন এই রাস্তায় আসা যাওয়া করি। এমন টা তো হওয়ার কথা না।

 

আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, আপনাকেও আমি ঠিক চিনতে পারছি না। কিন্তু খুব চেনা চেনা লাগছে। ভদ্রলোক এবার খুব জোরে শব্দ করে হাসলেন। বললেন আমি আসিফ। আপনার পাশের চেয়ারে বসেই আমি কাজ করি। কিন্তু আপনার পৃথিবী তে নয় আমাদের এই পৃথিবীতে। আপনার পৃথিবীতে আমার মত আর একজন আসিফ আপনার পাশে বসেন।

 

আমি আবার বললাম হ্যাঁ আসিফ ভাইয়ের সাথে আপনার চেহারার অনেকটা মিল আছে, তাই বলে আপনার গাজাখোরি কথা আমি মানতে পারছি না। আর এই “আপনার পৃথিবী” “আমার পৃথিবি”, এগুলো কি?

এবার আসিফ দাবী করা ভদ্রলোক বললেন প্যারালাল আর্থ ব্যাপারটা সম্পর্কে শুনেছেন? আমি বললাম হ্যাঁ।

 

আসিফ ভাই- আপনি আর আমি হচ্ছি সেই দুই প্যারালাল আর্থ এর দুই বাসিন্দা।

আমি- তা কি করে সম্ভব? সেটা তো শুধু কল্প কাহিনীতেই সম্ভব। বাস্তবে সম্বব না।

আসিফ ভাই- বাস্তবেও সম্ভব, তা না হলে আপনি কোথায় এলেন?

আমি- ভাই একটু ক্লীয়ার করে বলেন তো

আসিফ ভাই- প্যারালাল আর্থ ব্যাপারটা হচ্ছে একই করম দেখতে দুইটা পৃথিবী যার সব কিছুই একই রকম দেখতে, যেখানে সবকিছুই একই রকম ঘটে।

আমি- ভাই আমি এসব জানি, কিন্তু এগুলো কি বিশ্বাস যোগ্য?

আসিফ ভাই- হা বিশ্বাস যোগ্য। আমাদের এই মহাকাশের সব কিছুই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট যেমন দুইটা সূর্য, দুইটা পৃথিবী, দুইটা চাঁদ, দুইটা বুধ, দুইটা রাহাত, দুইটা আসিফ ইত্যাদি। পার্থক্য হচ্ছে আপনাদের পৃথিবী আর আমাদের পৃথিবী দুইটা আলাদা গ্যালাক্সিতে অবস্থিত। আপনাদের পৃথিবীতে যতজন মানুষ আছে এখানেও ততজন, আপনাদের পৃথিবীতে যতটা দেশ, ভাষা এখানেও ততটা। কোন পার্থক্য নেই। ধরুন আপনাদের পৃথিবী আমাদের পৃথিবীর ছায়া অথবা আমাদের পৃথিবী আপনাদের পৃথিবীর ছায়া।

আমি- তাহলে তো সব কিছু একই রকম থাকার কথা, কিন্তু আমি তো এখানে কিছু পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি?

আসিফ ভাই- ও হ্যাঁ একটা পার্থক্য আছে, সেটা হচ্ছে আমাদের পৃথিবী আপনাদের পৃথিবী থেকে কয়েক বছর এগিয়ে।

আমি- বুঝলাম, কিন্তু আমি আপনাদের পৃথিবীতে এলাম কিভাবে?

আসিফ ভাই- এটা আমারিকান আর চাইনিজদের অবদান।

 

১৯৪৩ সালে আমারিকান নেভি আইনস্টাইনের Unified Field Theory নিয়ে একটা এক্সপেরিমেন্ট চালায়। কিন্তু এই এক্সপেরিমেণ্টে কিছু ভুল থাকা তারা ভুল করে টেলিপোর্টেশান আবিষ্কার করে ফেলে। যদিও তারা পুরোপুরি সফল হয় নি, কিন্তু তারা গোপনে গবেষনা চালিয়ে যায়। এর পর ২০২২ সালের দিকে এসে তারা পুরোপুরি সফল হয়। ২০২৫ সালের দিকে চায়নিজ হ্যাকাররা এই গবেষনার ফলাফল চুরি করে এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করে। ২০২৭ সালের মধ্যে তারা খুব সহজ একটা বেশিন বানাতে সমর্থ হয় যেটা ব্যক্তি ক্ষেত্রে ব্যবহার যোগ্য। এই মেশিন ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আসা যাওয়া যায় এমনকি অন্য গ্রহেও। তবে সেটা মাত্র একঘন্টার জন্য। ২৮ সালের মধ্যেই এই মেশিন সারা দুনিয়ায় সারা ফেলে দেয় এবং এর দাম খুবই কমে যায়। আমিও মজা করার জন্য আলী এক্সপ্রেস থেকে একটা মেশিন কিনে ফেলি।

 

কিছুদিন আগে আমি আপনাদের পৃথিবীতে গিয়েছিলাম। ভাবলাম আপনাকেও একবার আমাদের পৃথিবিতে নিয়ে আসি। যেই ভাবা সেই কাজ। হাহাহহা।

 

আমি- বুঝলাম কিন্তু এখন আমি ফিরব কি করে?

আসিফ ভাই- চিন্তা করবে না। এক ঘন্টা পর আপনি অটোমেটিক চলে যাবেন। হাতের ঘড়ি দেখে, ৫০ মিনিট হয়ে গেছে, আর কিছুক্ষন। চলুন বাইরে যাই।

 

আমরা বের হয়ে চলে এলাম খোলা রাস্তায়। আর মাত্র ২ মিনিট বাকি। আমি ভাবছি আচ্ছা এই পৃথিবীর রাহাতের সাথে তো দেখা হল না। রাহাতের সাথে দেখা হলে আগামী ১২/১৩ বছর পর আমার অবস্থা কেমন হবে একটা ধারনা পাওয়া যেত।

 

আমি- আসিফ ভাই আপনাদের রাহাতের সাথে দেখা হলে ভাল লাগত। ওর সাথে যগাযোগ করা কি সম্ভব?
আসিফ ভাই- ওর সাথে আপনার দেখা না হলেও অর সাথে কিন্তু আপনার একটা যোগাযোগ আছে শুরু থেকেই।
আমি- কিভাবে?

আসিফ ভাই- টেলিপ্যাথিক। আপনার মাঝে মাঝে মনে হয় না যে এ কাজটা আমি করে ফেলেছি, বা এই ঘটানাটা ঘটেছে এমন একটা ফিল হওয়া যা আগে হয় নি। বা কোন গুরুত্বপূর্ন ঘটনা আগে থেকেই টের পেয়ে যাওয়া?

আমি- হ্যাঁ এমন হয় তো, প্রায়ই হয়।

আসিফ ভাই- হ্যাঁ এখানের রাহাত যা করে, রাহাতের সাথে যা ঘটে তার একটা ছায়া বা প্রভাব আপনার উপর পরে। তাই আপনার মনে হয় হয়ত এমন ঘটনা আপনার সাথে আগেও ঘটেছে।

 

ওহ আপনার যাওয়ার সময় হয়ে গেছে, যান ভাল থাকবেন। আর হ্যাঁ এখানে আজ যা ঘটল তা কারো সাথে সেয়ার করবেন না যেন। কেউ আপনার কথা বিশ্বাস করবে না। উলটা পালটা ভাববে আপনাকে নিয়ে। হাহা হাহাহা

 

আসিফ ভাই পকেট থেকে মোবাইলের মত একটা ডিভাইস বের করলেন, সেটা টিক টিক করে শব্দ করছে। আসিফ ভাই বললেন আর ১০ সেকেন্ড।

 

১ টিকটিক, ২ টিক টিক, ৩ টিক টিক………………………………. শব্দটা আস্তে আস্তে বাড়ছে ৯ টিক টিক ১০ টিক টিক

 

হঠাৎ চোখে একটা আলোর ঝলকানি এসে পরল। চোখ মেলে ডান দিকে তাকাতে দেখলাম বালিশের পাশে মোবাইলে এলার্ম বাজছে। হাতে নিয়ে এলার্ম টা বন্ধ করে টাইম দেখলাম সকাল ৭ টা। ঘুমটা আজ একটু আগেই ভেঙেছে। ভাবলাম আরো আধ ঘন্টা গড়াগড়ি করে তারপর বিছানা ছাড়ব।

 

 

ক্রেডিটঃ খাঁজা বাবা

Abu Hasan Rumi
আমি আবু হাসান রুমি এবং আমি একজন টপ রেটেড এডমিন সাপোরটার এবং একজন ডিজিটাল মার্কেটার যে প্রতিনিয়তই তার কাজের দক্ষতা বাড়িয়ে তোলার চেষ্টায় আছে। আমার সকল চিন্তা-ভাবনা এবং আগ্রহকে সকলের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এ ব্লগটি চালু করা।
Posts created 13

Related Posts

Begin typing your search term above and press enter to search. Press ESC to cancel.

Back To Top