রঙ সমাচার: রঙ দেখা এবং তার রহস্য

রঙ সমাচার: রঙ দেখা এবং তার রহস্য

আমাদের আশেপাশের রঙিন প্রকৃতি যদি রঙিন না হতো? সব কিছুই দেখতে একই রকমের হত? অথবা হঠাৎ করেই নীলচে আকাশটা সবুজ আর গাছের সবুজ পাতা আকাশের নীল রঙে ভরে যেত? এসবের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে বিজ্ঞানের বইয়ে এসব কি বলে রেগে যাবেন না। নিজেকে এমন অবস্থায় কল্পনা করুন আর ভাবুন, তখন আপনার কাছে কেমন লাগবে? তখন কি হবে আপনার ভালোবাসার লাল গোলাপের? কি-ই বা হবে সেই নীল উদার আকাশের? এতো মহা ঝামেলা। সেই মনোমুগ্ধকর লাল গোলাপ তার সকল আবেদন হারিয়ে ফেলবে। গাছের পাতায় সে নতুন রঙ দেখাবে বেমানান, যা আর আগের মত চোখ জুড়াবে না। অর্থাৎ, এই সামান্য রঙ বা বর্ণ পরিবর্তনের কারনে ঘটে যাবে অনেক কিছুই। সঠিক জিনিসের সঠিক রঙ হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। তাইতো, সৃষ্টিকর্তা এই প্রকৃতিকে যে রঙে মানাবে; সে রঙেই সৃষ্টি করেছেন। যেকোনো রঙ দেখার ক্ষেত্রে সবচাইতে গুরুত্বর্পূন ভূমিকা পালন করে আমাদের চোখ এবং মস্তিষ্ক।

এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, আমাদের মস্তিষ্কে রঙের অনুভূতি সৃষ্টি হয় কিভাবে?

যেকোনো ধরনের রঙ দেখা এবং পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে আমাদের চোখ এবং মস্তিষ্ক একসাথে কাজ করে থাকে। আমাদের চোখে তো আর রঙ প্রবেশ করে না, করে আলো। চোখে আলো প্রবেশ করার পর সেই আলোকে ভিন্ন ভিন্ন রঙে কনভার্ট করার কাজটা চোখ আর মস্তিষ্ক একজোট হয়ে করে। চোখের ভেতরের একধরনের আলোক সংবেদী কোষ স্নায়ু ব্যবহার করে আমাদের মস্তিষ্কে বার্তা প্রেরণ করে থাকে। এক্ষেত্রে কোষগুলোকে ডাকঘর আর স্নায়ুগুলোকে ডাকপিয়নের সাথে তুলনা করা যায়। প্রশ্ন করতে পারেন, কেন ডাকপিয়ন আর ডাকঘরের সাথে তুলনা করব। আলোক সংবেদী কোষ থেকে স্নায়ু গুলো আমাদের মস্তিষ্কে কিছু দেখার বার্তা প্রেরণ করলে আমাদের মস্তিষ্কে তখন দেখার অনুভূতি জাগে। ঠিক তেমনই ডাকপিয়ন যেমন আমাদের কাছে চিঠি নিয়ে আসলে চিঠি পাবার পর আমাদের বিভিন্ন ধরণের অনুভূতির সৃষ্টি হয়।

 

আমাদের চোখের গড়ন সম্পর্কে আমরা সবাই কম-বেশি জানি। যারা জানেন না বা ভুলে গেছেন তারা সামান্য গুগল সার্চ করেই দেখে নিতে পারেন অথবা ক্লাস ৮-৯ এর বইয়েও পাবেন। আমাদের চোখের রেটিনাতে মিলিয়ন মিলিয়ন আলোক সংবেদী কোষ রয়েছে। এর কিছু কোষ হচ্ছে রড কোষ, আবার কিছু কোষ হচ্ছে কোণ কোষ। রড কোষ সংখ্যায় ১২০ মিলিয়নের কাছাকাছি আর কোণ কোষ ৬-৭ মিলিয়ন। এই আলোক সংবেদী স্নায়ুমুখগুলো আমাদের মস্তিস্কে স্নায়ু উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। তারপর এই উদ্দীপনা অপটিক নার্ভ বা দর্শন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের কর্টেক্সে পাঠানো হয়। আর এভাবেই গাছের পাতার সবুজ রঙ ও বিশাল আকাশের নীল রঙ আমাদের মস্তিষ্কে পোঁছায় এবং আমরা রঙের অনুভূতি পাই।

প্রথম রঙ নিয়ে গবেষনা শুরু

আমরা সকলেই বিজ্ঞানী নিউটনের কথা জানি। অনেকেই নিউটনের সম্পর্কে বেশি না জানলেও তার মাথায় আপেল পড়ার ঘটনাটা ঠিকই জানেন। এই আপেল পড়ার মাধ্যমেই তো শুরু হয় তার আবিষ্কার যাত্রা! তারপর বিভিন্ন আবিষ্কারের মাধ্যমে পুরো দুনিয়ায় জনপ্রিয়তা লাভ করেন তিনি। তার আবিষ্কারের কথা বলতে গেলে আরো অনেক কিছুই বলে ফেলতে হবে। আর এখানে জীবনী পড়তে তো নিশ্চয়ই আসেননি। তার চাইতে আপনারা তার উইকিপিডিয়া পেজটাই দেখে নিতে পারেন। তার উইকিপিডিয়া পেজ ভিজিট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

A drawing of Sir Isaac Newton dispersing light with a glass prism
A drawing of Sir Isaac Newton dispersing light with a glass prism

এতো আবিষ্কারের পরও মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কারের জন্যই তাঁর নাম সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত হয়। মজার ব্যাপার হল, আমরা অনেকেই এখনো জানি না, রঙ নিয়ে প্রথম গবেষণা কিন্তু তিনিই করেছিলেন। গবেষণাটা তিনি মূলত করেছিলেন আলো নিয়ে, কিন্তু এর মধ্যে উঠে আসে রঙের কিছু মহা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এই গবেষণার মাধ্যমেই তিনি প্রমান করেন যে, রঙ কোন বস্তুর নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্ট্য নয়, আবার এটা আলাদা কোনো বস্তু নয়। এটা কি করে সম্ভব? তাহলে আমরা যে যত রকমের রঙ দেখি, সেগুলো কি?

 

কোন বস্তুর পৃষ্ঠ বা তলের উপর কোন মাধ্যম থেকে আলো পড়লে বস্তুটি আলোক রশ্মির সবটুকুই শোষণ করে ফেলে। যেসব আলোক রশ্মি শোষণ করে থাকে, সেসব রশ্মি সম্পূর্ণ হারিয়ে যায় এবং আমাদের দৃষ্টিতে আর ধরা পরে না। যদি কোন একটি নির্দিষ্ট রশ্মি শোষণ করতে না পারে, তবে বস্তু সেই রশ্মিটিকে প্রতিফলিত করে দেয়। আর এই প্রতিফলিত রশ্মিটাই হয় বস্তুর রঙ।

 

উপরের ব্যাখ্যা থেকে বলা যায়, সবুজ রঙের কোন বস্তু ঠিক সবুজ নয়। বস্তুটির পৃষ্ঠে বা তলে যখন আলো আপতিত হয়, তখন বস্তুটির পৃষ্ঠটি সবুজ ছাড়া অন্যান্য সকল রঙ শোষণ করে ফেলে। তারপর সবুজ রঙকে প্রতিফলিত করে দেয়। মূলত আমরা এই প্রতিফলিত আলো দেখেই ভাবি যে বস্তুটি সবুজ রঙের। অর্থাৎ, বলতে পারেন আমরা অনেক সহজ সরল এবং সব সময়ই ধোঁকা খাচ্ছি। কেননা, বস্তুটিতো আর সবুজ রঙের নয়, বস্তুটি শুধুমাত্র সবুজ রঙকে শোষণ করতে পারছেনা আর তাই তাকে প্রতিফলিত করে দিচ্ছে। আমরা তখনই তাকে সবুজ রঙের ভেবে বসি। কতটা বোকা আমরা! তাই না?

আলো এবং রঙের খেলাঃ

একসময় রঙকে শুধুমাত্র বস্তুকে চিহ্নিত করবার মাধ্যম হিসাবেই গণ্য করা হত। কিন্তু মূলত বস্তুই একটি দৃশ্যমান উপাদান যার সাহায্যে রঙকে চিহ্নিত করা যায়। প্রাচীনকালে রঙকে অলঙ্ককরণের উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হত। রঙের সাহায্যে ঔজ্জ্বল্যতা পাওয়া যায় কিন্তু রঙ আকৃতির সৌন্দর্যময়তার একটি অংশ মাত্র। আধুনিক কালের চিত্রকর্মে রঙকেই আকৃতির মূলধার বলা হয়। রঙ শুধু অলঙ্করণেই ব্যবহার হয় না, মূলত রঙই রয়েছে অস্বিত্বের মূলে।

 

আমাদের নিউটন সাহেব পরীক্ষা করে দেখিয়ে ছিলেন যে সূর্যের আলো বর্ণ-বিভাগহীন মনে হলেও তা মূলত সাতটি রশ্মির বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। যে বস্তুতে সবগুলো রঙের প্রতিক্ষেপ ঘটে তা সাদা দেখায়, আবার যে বস্তু সবগুলো রঙ একসঙ্গে শোষণ করে তা কালো দেখায়। বস্তু আলো শোষণ করার ফলে আলোর অভাব ঘটে, আর অভাব ঘটলে তাকে অন্ধকার বলা হয়। তাই কালোই হচ্ছে সম্পূর্ণ অন্ধকার।

 

স্বচ্ছ বস্তুর মধ্য দিয়ে আলোক রশ্মি গমনকালে এর গতি বিবর্তিত হয়, কিন্তু যে বস্তু আংশিকভাবে স্বচ্ছ, সে বস্তুর ক্ষেত্রে কিছু রশ্মি তার মধ্যে শোষিত হয় এবং কিছু রশ্মি বিক্ষিপ্ত হয়। কোন কঠিন বস্তুই পুরোপুরি স্বচ্ছ নয় অথবা পুরোপুরি অস্বচ্ছও নয়। তাই সকল বস্তুতেই আলোর কিছুটা শোষণ এবং কিছুটা প্রতিবিক্ষণ ঘটে। তাছাড়া বাতাস কখনই পুরোপুরি পরিস্কার নয়। তাই বাতাস ভেদ করে যে সূর্যকিরণ নামতে থাকে, তার স্পর্শে বস্তুপুঞ্জ বিচিত্র আকৃতি ধারণ করে। তাই সকল বস্তুর মধ্যেই রঙের খেলা বিদ্যমান।

 

আলোর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে রঙের সব রকমের কর্মকান্ড। আর তাইতো আলো পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথেই রঙেরও পরিবর্তন ঘটে। এর জ্বল-জ্যান্ত প্রমান আমরা সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময়ই পেয়ে থাকি। তাছাড়া কোন বস্তুকে এদিক-ওদিক নাড়লেও রঙের পরিবর্তন হয়।

পাশের বৃত্তে যে কয়টি রঙ চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলোকে ঘনত্ব ও ঔজ্জ্বলের তারতম্যের ক্রম অনুসারে প্রত্যেকটিকে আরও ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়। এর ফলে মোট ৭২ টা রঙ পাওয়া যাবে। এভাবে অগ্রসর হতে থাকলে আরও রং নির্ণয় করা সম্ভব। বৃত্তে একটি রঙের অবিকল বিপরীতে যে রঙটি আছে তারা পরস্পর একে অন্যের অনুপূরক। লাল হচ্ছে সবুজের অনুপূরক। নীল হচ্ছে কমলার, বেগুনী হচ্ছে হলুদের ইত্যাদি। আলো যেমন অন্ধকারের বিপরীতে ধরা পরে অথবা উষ্ণতা শীতলতার, তেমনি অনুপুরক রঙ একে অন্যের বিপরীতে ধরা পরে। কিন্তু দুটো অনুপূরক রঙ যখন মিশ্রিত করা হয়, তখন তারা একে অন্যকে ধ্বংস করে ধূসর বা কালো হয়ে যায়। তিনটি মৌলিক রঙ এর যে কোন দুটির মিশ্রণে যে রঙ তৈরী হবে, তা হবে তৃতীয় রঙটির অনুপূরক। যেমন হলুদ ও নীলের সংমিশ্রনের তৈরী সবুজ হচ্ছে লাল রং-এর অনুপুরক।

একই সমতলে থাকলেও কোনও রঙ মনে হয় সামনে এগিয়ে আসছে এবং কোন রঙ পিছিয়ে যাচ্ছে। এর কারন দৃষ্টিতে বিভিন্ন রঙ এর আনুপাতিক অপসৃয়মানতা আছে। আপনারা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন, লাল রঙের একটি স্বতঃসম্মুখবর্তিতা আছে। আপনি ক্যানভাসের যেখানেই এ রঙ ব্যবহার করুন না কেন, মনে হবে সেখানে অন্য সব রঙ ব্যবহার করা যায়। আমাদের দৃষ্টিগত অনুভূতিতে রঙের অপসৃয়মানতার যে স্বভাব ধরা পড়ছে তা ব্যবহার করেই শিল্পীরা বস্তুর ঘনত্ব এবং পরিপ্রেক্ষিত নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

রঙের যত ধরণ এবং বাহারঃ

আমরা সকলেই জানি রঙ দু’ধরণের – মৌলিক রঙ ও যৌগিক রঙ। লাল, সবুজ ও নীল – এ তিনটি রঙকেই আমরা মৌলিক রঙ হিসাবে চিনি। অনেকেই হয়ত জানেন যে এই মৌলিক রঙ গুলোকে সংক্ষেপে “আসল” বলা হয়। অর্থাৎ, আ – আসমানী (নীল), স – সবুজ, ল – লাল।

 

একটা বিষয় খেয়াল করেছেন কি? আমি কিন্তু মৌলিক রঙে হলুদের কথা উল্লেখ্যই করিনি। ভাবছেন আমি সবুজ কোথায় থেকে পেলাম, তাই তো? না, আমি ঠিকই আছি। আমাদের মস্তিষ্কের জন্য মৌলিক রঙ লাল, সবুজ, নীল। আপনি যখন চিত্রশিল্পীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবেন, তখন মৌলিক রঙ হিসেবে লাল, হলুদ এবং নীলকে পাবেন। তখন সবুজ একটি যৌগিক রঙ। তবে স্ট্যান্ডার্ড রঙের বিচার করলে, তাতে লাল, নীল, সবুজকেই মৌলিক রঙ হিসেবে ধরা হয়।

 

এই লাল, নীল, সবুজ রঙকে সমান অনুপাতে মিশানোর মাধ্যমে আমরা সাদা রঙ পেতে পারি। আবার এই তিনটি রঙকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশানোর মাধ্যমেই আমরা আলোক বর্ণালীর সবকয়টি রঙই পেতে পারি। যেহেতু কয়েকটি রঙকে মিশিয়ে এই নতুন রঙগুলো প্রস্তুত করা হয়, সেহেতু এগুলো হচ্ছে যৌগিক রঙ।

 

চলুন রঙ নিয়ে আরেকটু ঘাঁটাঘাঁটি করি। আপনি কি আদৌ জানেন, মোট রঙ কয়টি? না জানলেও সমস্যা নেই। আপনার রঙের বক্স খুললে হয়তো ৬টি, ১২টি অথবা ২৪টি রঙ দেখতে পাবেন। কিন্তু আসলে এই পৃথিবীতে মোট কয়টি রঙ আছে? মনে করুন, কোন বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করা হলো। সে লাল, নীল, কমলা, হলুদ সহ আরও কয়েকটি রঙের নাম বলতে পারবে। এবার আপনাকে যদি জিজ্ঞেসা করা হয়, আপনি আরো কয়েকটি রঙের নাম – যেমন বেগুণী, ফিরোজা, বাদামী বলতে পারবেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আমাদের চোখই প্রায় ১০ মিলিয়ন রঙকে পৃথকভাবে সনাক্ত করতে পারে? হ্যাঁ, এই ১০ মিলিয়নের মধ্যে আমরা শুধুমাত্র অল্প কিছু রঙের নামই জানি। কিন্তু এতে আমাদের দোষই বা কি। বিজ্ঞানীরাও তো কিছু সংখ্যক রঙেরই নামকরন করতে পেরেছেন। এতসব রঙের নাম দেওয়া তো আর যা তা কথা নয়। তাই বিজ্ঞানীরা সব গুলো রঙকে আলাদা ভাবে প্রকাশ করার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। তারা প্রত্যেকটি রঙকে পৃথক করার জন্য তাদেরকে সংখ্যায় এবং কোডের মাধ্যমে প্রকাশের ব্যবস্থা করেছেন। কিছু রঙের কোড আপনি এখান থেকেই দেখে নিতে পারেনঃ https://htmlcolorcodes.com। এখানে সব গুলো রঙের কোড নেই, তবে যা আছে তাও একজন মানুষের পক্ষে মনে রাখা সম্ভব বলে মনে হয় না।

 

রঙের আরো ভেরিয়েশনের জন্য বিজ্ঞানীরা কয়েকটি কালার মডেল প্রবর্তন করেছেন। কেননা শুধুমাত্র লাল, সবুজ, নীল রঙ দিয়ে একটা নির্দিষ্ট রেঞ্জের বা সীমার রঙ তৈরি করা সম্ভব। বর্তমান প্রযুক্তি যেমন কম্পিউটার, টেলিভিশন, প্রিন্টার ইত্যাদি ব্যবহার করার জন্য আরো অনেক বেশি রঙের ভেরিয়েশনের প্রয়োজন হয়। তাই RGB (লাল, সবুজ, নীল) কালার মডেলের রঙগুলোকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে আরও প্রচুর রঙ তৈরি করা হয়। বিশেষ করে আমরা যে প্রিন্টার ব্যবহার করে ছবি প্রিন্ট করি, সেই প্রিন্টার এই কালার মডেল ব্যবহার করে প্রিন্ট করে থাকে। যারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করেছেন তারা এই ভেরিয়েশন সম্পর্কে জেনে থাকবেন।

 

এতক্ষণ তো অনেক কিছুই বকবক করলাম। এখন বলুন তো, সাদা এবং কালো রঙকে কি আসলে রঙ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?

 

আসলে পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে সাদা এবং কালো বলতে কোন রঙই নেই। সাদা হচ্ছে সকল রঙের সমষ্টি আর কালো হচ্ছে সকল রঙের অনুপস্থিতি।

 

Abu Hasan Rumi
আমি আবু হাসান রুমি এবং আমি একজন টপ রেটেড এডমিন সাপোরটার এবং একজন ডিজিটাল মার্কেটার যে প্রতিনিয়তই তার কাজের দক্ষতা বাড়িয়ে তোলার চেষ্টায় আছে। আমার সকল চিন্তা-ভাবনা এবং আগ্রহকে সকলের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এ ব্লগটি চালু করা।
Posts created 13

Related Posts

Begin typing your search term above and press enter to search. Press ESC to cancel.

Back To Top